Posts

আখেরী মুনাজাত কি বিদআত.?

Image
https://banglamail71.info/archives/18943২一আলহামদুলিল্লাহ, কিছুদিন আগে আখেরী মুনাজাতের মধ্য দিয়ে শেষ হলো বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব। অল্পকয়েকদিন পর অর্থ্যাৎ আগামী শুক্রবার শুরু হবে বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্ব।
মুনাজাতে অংশ নিতে সকাল থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আসতে থাকেন টঙ্গী ইজতেমা ময়দানের দিকে। পায়ে হেঁটে, গাড়িতে চড়ে, আবার কাউকে আসতে হয়েছে অনেক কষ্ট উপেক্ষা করে ট্রেনের ছাদে চড়ে। তবে বেশিরভাগ মানুষকেই আসতে হয়েছে পায়ে হেঁটে এবং ট্রেনের ছাদে চড়ে, কারণ ভয়াবহ যানজট এড়াতে ভোর চারটা থেকেই ঢাকার গুরুত্বপুর্ণ পয়েন্টগুলোতে গাড়ি চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।  তাই অনেককে ৫/৬ মাইল পর্যন্ত হেঁটে আসতে হয়েছে। মুনাজাতে অংশ নিতে আসা মানুষের স্রোতের প্রভাব ময়দান অতিক্রম করে আশপাশের এলাকাগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে। টঙ্গী স্টেশন রোড থেকে নিয়ে শুরু করে ময়মনসিংহ-ঢাকা মহাসড়কের জসীমউদ্দীন মোড় পর্যন্ত সড়কটি থাকে মুসল্লিদের দখলে। কাগজ,পলিথিন ইত্যাদি বিছিয়ে মানুষ মুনাজাতে অংশ নেয়ার জন্য অপেক্ষা করেন। মোটকথা টঙ্গী ও আশপাশের এলাকাগুলো পরিপুর্ণ হয়ে যায় মুনাজাতে অংশ নিতে আসা মুসল্লদিদের দ্বারা। সবরকম ভোগান্তি উপেক্ষা করে মানুষ আসতেই …

বিশ্ব ইজতেমা ২০১৮ইং

Image
কিছুদিন ধরে চলতে থাকা মাওলানা সা'দ ইস্যুর বিবাদ কাটিয়ে আজ (১২/১/১৮) শুক্রবার বাদ ফজর আহাম বয়ানে মধ্য দিয়ে হয়েছে বিশ্ব ইজতেমা ২০১৮ এর প্রথম পর্ব।  ১৬ জেলা বিশিষ্ট এ পর্বে কোন বিদেশি বক্তা না থাকলেও শ্রোতাদের আগ্রহে কোন কমতি নেই। নতুন পুরাতন সবধরনের, সবশ্রেনীর, সববয়সের লোকের সমাগমে মুখরিত "কহর দরিয়া" খ্যাত টঙ্গীর তুরাগ তীর।
নদীঘেরা এ মাঠে দেশি-বিদেশি, ছোট-বড় সবাই চলাফেরা করে স্বাভাবিকভাবে, নিরাপদে।  একে অপরের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনা করে চলে বিধায় এতো মানুষের মধ্যেও আল্লাহর রহমতে মারামারি হয়না। সকলেই সকলের এবং অন্যের অধিকার সম্পর্কে সচেতন, তাই ঝগড়া বিবাদ, মারামারি,হানাহানি ইত্যাদির আশংকা খুবই কম।
এখানে আছে সবশ্রেনীর লোক, ছোট-বড়, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ভালো-খারাপ, কিন্তু এদের মধ্যে পরষ্পর সহানুভুতি থাকার কারনে একে অপরকে দোষারোপ করেনা।
ইজতেমার ময়দানটা ঘুরে দেখতেও অনেক ভালো লাগে। যারা নতুন যায় সেখানে, তাদের অনেকে প্রথমে একদফা  ঘুরে নেন।
এখানে কিছু পরিভাষা প্রচলিত, যেমন: কেউ পিছন থেকে "গরম গরম" বললেই সবাই রাস্তা ছেড়ে দেয়, কারণ অনেকে  গরম পাতিল নিয়ে আসেন, তাই, তো আগে এই সুয…

মানবতা ও ইসলাম

তুমি নিজেকে সুখী দাবি করো..?? নিজেকে মনুষ্যত্যের পাল্লায় দাঁড় করিয়ে দাবী করতে পারবে যে তুমি একজন সুখী মানুষ.?? তুমি কি এটা বলতে পারবে যে, আমি একজন ন্যায়পরায়ণ, সৎ,মানবদরদী,ধনী মানুষ। আমি আল্লাহর সব হুকুম মেনে ধনাঢ্যভাবে সুখে-শান্তিতে জীবন যাপন করছি, পারবে এ কথা বলতে..?? পারবেনা! পারবেনা!! পারবেনা!!!
হ্যাঁ তুমি বলতে পারো, তোমাকে কেউ বাধা দিবেনা। কিন্তু তোমার এই কথা ন্যুনতম জ্ঞানসম্পন্ন কোন ব্যাক্তি সমর্থন করবেনা। কারণ তোমার আশপাশে এরকম শতশত দু:খী আত্নীয়স্বজন আছে, যাদের সব দু:খ কষ্ট হয়তো তুমি জানোনা। তোমার কান পর্যন্ত আসেনা তাদের দু:খ কষ্টের কথা। আসলেও তোমার কাছে তেমন কিছু মনে হয়না। ভাগ্যের উপর দোষ চাপিয়ে দিয়ে তুমি তাদের থেকে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করো। কারণ তোমার মধ্যে মনুষ্যত্ব নেই, তোমার মধ্যে মানবতা নেই, মানবদরদ নামে কোন জিনিস তোমার মধ্যে নেই, থাকলে হয়তো তুমি তাদের কষ্ট দেখেও অন্তত সান্ত্বনা না দিয়ে যেতে পারতেনা। সামর্থ্য থাকলে যথাসম্ভব সাহায্য না করে যেতে পারতেনা। হ্যাঁ তুমি পারোও... তুমি পারো এসব কিছু দেখেও না দেখার ভান করতে, বুঝেও না বোঝার ভান করতে, কারণ তোমার মধ্…

ঈসা আ: কি নিজেই নিজেকে বিসর্জন দিয়েছেন, নাকি তাকে ইহুদিরা ষড়যন্ত্র করে হত্যা করতে চেয়েছিলো।

ঈসা আলাইহিস সালাম নিজেকে বিসজন দিয়ে সকলের গোনাহ মাফ করিয়ে নিয়েছেন, একথা কি ঠিক
তিনি যদি ইশ্বর হন তাহলে তাকে গোনাহ মাফ করিয়ে নিতে হবে কেন। তিনি তো নিজেই মাফ করে দিতে পারেন। আর মাফ করে নিতে হলেও ইশ্বরকে প্রাণ দিতে হবে কেন।ইশ্বরকে যদি প্রাণ দিতে হয় তাহলে তিনি কেমন ইশ্বর হলেন।
পবিত্র কুরআন বলছে, তাকে প্রাণ দিতে হয়নি। তাহলে তিনি প্রাণ বিসজন দিয়ে অন্যদের মাফ করিয়ে নিয়েছেন, একথা সম্পূণ মিথ্য।

নারী স্বাধীনতা মানে নারীর উপর লাঞ্চনা চাপিয়ে দেয়া..

মাতৃমমতার মতো কল্যাণপূর্ণ প্রেরণা, যা পরিবারের রক্ষাকবচ, তা একমাত্র আল্লাহরই দান। তাই এর রক্ষা ও বিকাশের পথও সেটি, যা আল্লাহ তায়ালা নির্দেশ করেছেন।সেই পথ ত্যাগ করে অন্য কোনো পথ গ্রহণ করা, তা প্রগতি, নারী-মুক্তি কিংবা নারী-স্বাধীনতা যে নামেই হোক তা যেমন নারীর নিজের জন্যও আত্নঘাতী তেমনি পরিবার ও সমাজের জন্যও চরম বিধ্বংসী। এই ভিন্ন পথ নারী ও সমাজকে বঞ্চিত করবে মাতৃমমতার মতো পরম নেয়ামত থেকে।

সত্য মুক্তি দেয় মিথ্যা ধ্বংস করে।

عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيْهِ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّم لاَ تَقُوْلُوْا لِلْمُنَافِقِ سَيِّدٌ فَإِنَّهُ إِنْ يَكُ سَيِّدًا فَقَدْ أَسْخَطْتُمْ رَبَّكُمْ عَزَّ وَجَلَّ.

বুরায়দা (রাঃ)

তিনি বলেন, রাসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, ‘তোমরা মুনাফিক মানুষকে নেতা হিসাবে গ্রহণ কর না। যদি নেতা মুনাফিক হয়, তাহলে তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে অসন্তুষ্ট করলে। অন্য বর্ণনায় আছে যখন কোন ব্যক্তি মিথ্যুক মুনাফিক ব্যক্তিকে বলে, হে আমার নেতা! তখন সে তার প্রতিপালককে রাগান্বিত করল’ (আবুদাঊদ হা/৪৯৭৭; আত-তারগীব ওয়াত তারহীব হা/৪১৭৫)।
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

মাহফিলগুলোর যথাযথ হক আদায় হচ্ছে তো...?

দ্বীন প্রচারের অনেকগুলো মাধ্যমের মধ্যে একটা হচ্ছে গ্রামগঞ্জের মাহফিলগুলো।
বর্তমান সময়ে প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী মাহফিলের পক্ষপাতী আমি না, কারণ এসব মাহফিলের আশপাশে প্রায় এক থেকে দু মাইল পর্যন্ত মাইক লাগানো হয়, এবং সাউন্ড অনেক বাড়িয়ে দেয়া হয়, অথচ কুরআন হাদিসের আলোচনা শুধুমাত্র যারা শুনবে তাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার নিয়ম। কুরআন হাদিসের আলোচনার সময় অন্যকোন কাজ করা জায়েয নাই। সকল প্রকার দুনিয়াবী কাজ থেকে ফারেগ হয়ে কুরআন হাদিসের আলোচনা শোনার প্রতি জোর তাগিদ এসেছে।
একারণেই তো বিশ্ব ইজতেমা বা ইজতেমা সমুহে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট এলাকা অর্থ্যাৎ শুধুমাত্র সামিয়ানার ভিতরেই মাইক লাগায়, এমনকি (ইজতেমায়) রান্না করার স্থান, গোসল করার স্থান মোটকথা মানুষ বসার স্থান ছাড়া অন্যকোথাও মাইক লাগানো হয়না।
এতে করে ওয়াজ নসিহতের আদব রক্ষা হয়।
তো আগের কথায় ফিরে আসি, এখনকার সময়ে প্রচলিত জুমার বয়ান, একসময় এটাও ছিলোনা। এটা শুরু হয়েছে, এতে করে সাধারণ মানুষের মধ্যে দ্বীন পৌছানো অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে, মানুষ জুমার বয়ানের সময় খতীব সাহেবের ওয়াজ মনযোগ দিয়ে শোনে, যথাসম্ভব আমল করার চেষ্টা করে।
এরক…